বেসিসের সেমিনার

২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৮৪ কোটি ডলারের আইসিটি পরিষেবা রফতানি

বাংলাদেশ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৮৪ কোটি ডলারের আইসিটি পরিষেবা রফতানি করেছে বিশ্বের ১৩৭টি দেশে।

বাংলাদেশ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৮৪ কোটি ডলারের আইসিটি পরিষেবা রফতানি করেছে বিশ্বের ১৩৭টি দেশে। এর সুবাদে আইসিটি খাতে লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। যারা বিশ্বমানের স্থানীয় উদ্ভাবনী পণ্য ও সেবা তৈরি করে রফতানিতে বড় ধরনের সহায়তা দিচ্ছে।

রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্রে গতকাল ‘বাংলাদেশ: দ্য ইমার্জিং আইসিটি পাওয়ার হাউজ’ শীর্ষক সেমিনারে এ তথ্য তুলে ধরেন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসের (বেসিস) প্রশাসক ড. মুহম্মদ মেহেদী হাসান। তিনি জানান, ১৯৯৮ সালে মাত্র ১৮টি সদস্য প্রতিষ্ঠান নিয়ে যাত্রা করে বেসিস। যা বর্তমানে ২ হাজার ৬৫০টিরও বেশি। নতুন নতুন উদ্ভাবনকে ত্বরান্বিত করতে, সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সব স্টেকহোল্ডারের সমন্বিত প্রচেষ্টার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের পলিসি অ্যাডভাইজার (সমন্বয় এবং সংস্কার) ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। তিনি বলেন, ‘চলতি বছরের মধ্যেই বাংলাদেশ ন্যাশনাল ডাটা আর্কিটেকচার (বিএনডিএ) নকশা বাস্তবায়ন, সঠিক আইসিটি মাস্টারপ্ল্যানের রূপকল্প প্রণয়ন এবং অপরিকল্পিত হাই-টেক পার্কগুলো সংস্কার করে তথ্যপ্রযুক্তি অবকাঠামোকে আরো উন্নত করা হবে। ২০৩০ সালের মধ্যে ৬-৮ মিলিয়ন দক্ষ তথ্যপ্রযুক্তি পেশাদার তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের। এ খাত থেকে দেশজ উৎপাদনে ৫ শতাংশ অবদান রাখার লক্ষ্য অর্জন করতে চাই।’

সেমিনারে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন বেসিস সহায়ক কমিটির চেয়ারম্যান রাফেল কবির। তিনি বলেন, ‘‌বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা বাস্তবায়নে দক্ষ জনশক্তি তৈরি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। দেশে বিপুল পরিমাণ মেধাবী যুবশক্তি রয়েছে, যাদের সঠিক প্রশিক্ষণ ও দিকনির্দেশনার মাধ্যমে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বৈশ্বিক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে চাই।’

সেমিনারে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) মহাপরিচালক বেবী রানী কর্মকার তরুণ উদ্ভাবকদের সৃজনশীলতা ও প্রযুক্তিনির্ভর একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ নির্মাণে ইপিবির অবদানের কথা উল্লেখ করেন।

সমাপনী বক্তব্য দেন বেসিস সহায়ক কমিটির সদস্য (অর্থ) ফৌজিয়া নিগার সুলতানা।

বেসিস সহায়ক কমিটির সদস্য ফিদা হকের সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য দেন কমিটির সদস্য রাইসুল কবির ও বেসিস সদস্য সৈয়দ মোশাররফ আলী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাইকার বাংলাদেশ প্রধান ইচিগুচি তোমোহিদে, বাংলাদেশে জেট্রোর প্রধান প্রতিনিধি ইউজি আন্দো, কোট্রার নির্বাহী পরিচালক সামসু কিম এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

আরও